মূল্যায়ন রেজিস্টার ছক ক/খ — নম্বর বসালেই মোট, গড় ও গ্রেড
প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিটি বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও প্রান্তিক (সামষ্টিক) মূল্যায়নের নম্বর রেজিস্টারে রাখতে হয়। ক্লাসখাতা ছকটি নির্দেশিকার নকশায় রাখে এবং যোগফল, শতকরা হার ও গ্রেড নিজে হিসাব করে।

এতে যা থাকে
- ধারাবাহিক মূল্যায়নের চার ক্ষেত্র: পাঠ্যপুস্তক/সহায়িকার কাজ, শ্রেণিকাজে সক্রিয়তা, ভাষাদক্ষতা/বোধগম্যতা ও ক্লাস টেস্ট
- প্রান্তিক (সামষ্টিক) মূল্যায়নের নম্বর
- নম্বর বণ্টন: ১ম–২য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ৫০/৫০, ৩য়–৫ম শ্রেণির ৩০/৭০, শুধু সহায়িকার বিষয় ১০০% ধারাবাহিক
- মোট, শতকরা হার ও গ্রেড — দশমিক নম্বরসহ
- বিষয় শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের নাম ও স্বাক্ষরের ঘর
ক্লাসখাতায় কীভাবে তৈরি করবেন
- ১
শাখা ও বিষয় বাছাই করুন — সেই শ্রেণির বিষয়গুলো আগে থেকেই সাজানো থাকে।
- ২
বাংলা বা ইংরেজি যেকোনো অঙ্কে নম্বর টাইপ করুন; সীমার বেশি নম্বর দিলে সতর্ক করা হয়।
- ৩
মোট, গড় ও গ্রেড সঙ্গে সঙ্গে দেখুন।
- ৪
রেজিস্টার PDF নামিয়ে প্রিন্ট করুন — এই নম্বর থেকেই শিখন অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি হয়।
মূল্যায়ন রেজিস্টার (ছক ক/খ) নিয়ে জিজ্ঞাসা
ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর কীভাবে ভাগ হয়?
বিষয়ের পূর্ণমান অনুযায়ী ধারাবাহিক ও সামষ্টিক অংশ ভাগ হয় — ১ম–২য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে অর্ধেক-অর্ধেক, ৩য়–৫ম শ্রেণিতে ৩০% ধারাবাহিক ও ৭০% সামষ্টিক। বিস্তারিত নিয়ম এনসিটিবির মূল্যায়ন নির্দেশিকায় আছে।
শিক্ষকেরা কি আলাদা লগইন পাবেন?
হ্যাঁ। প্রধান শিক্ষক প্রত্যেক শিক্ষককে আলাদা লগইন দিতে পারেন, আর প্রতিটি বিষয়ের জন্য বিষয় শিক্ষক ঠিক করে দেন — রেজিস্টারে তাঁদের নাম ছাপা হয়।
মূল্যায়ন রেজিস্টার (ছক ক/খ) — হাতে লেখা ছাড়াই
৩০ দিন ফ্রি — আবেদন করতে কোনো টাকা লাগে না।